বিজ্ঞপ্তি
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ. দেশের জনপ্রিয়  voiceofchandpur.com অনলাইন নিউজ-এ জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রতিটি থানায়. একজন থানা প্রতিনিধি ও প্রতি জেলায় একজন জেলা প্রতিনিধি  নিয়োগ দেওয়া হবে। 
জনবান্ধব ও গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারী

জনবান্ধব ও গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারী

জনবান্ধব ও গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারী

মহসিন হোসেনঃ

চাঁদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ ওচমান গনি পাটওয়ারী চাঁদপুরে গণমানুষের নেতা হিসেবেই সুপরিচিত। ১৯৫৮ সালে চাঁদপুর শহরের গুণরাজদীতে সাতানী পাটওয়ারী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন এ মহান নেতা।
১৯৭৩ সালে শহরের ডিএনএ উচ্চবিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি দিয়ে ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন আলহাজ ওচমান গনি পাটওয়ারী। পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালে চাঁদপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য, ১৯৮০ সালে চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, ১৯৮৮-৯০ সাল পর্যন্ত তরপুরচন্ডী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন। ১৯৯২ সালে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক, ১৯৯৮ সালে বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক এবং সর্বশেষ ২০০৫ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসাবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন ওচমান পাটওয়ারী।
২০১৭ সালের জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে জয় লাভ করেন তিনি। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে তৃণমূল পর্যায়ে জেলার সর্বত্রে সুনাম কুঁড়িয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের এ জনবান্ধব নেতা।

ওচমান গনি পাটওয়ারী সাংগঠনিক দায়িত্ব ছাড়াও জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। দলের দুঃসময়ে অকুতভয়ে বঙ্গবন্ধুর সাহসি সৈনিক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
চাঁদপুরে আওয়ামী লীগের সকল নির্বাচনী কার্যক্রম তার হাত ধরেই বাস্তবায়ন হয়েছে।
সকল বাস্তবায়ন কমিটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলেন ওসমান পাটওয়ারী। চাঁদপুরে দলের সকল বিজয়ে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।

১৯৭৯ সালে সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী আব্দুল করিম পাটোয়ারী নৌকা মার্কা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮৬ সালে সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী এ্যাডভোকেট আব্দুল কুদ্দুস খান মাখনের পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন।
১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে এ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়ালের নৌকা মার্কা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন।
১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ্যাডভোকেট ফজলুল হক সরকারের নৌকা মার্কা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর জাতীয় সংসদ দলীয় প্রার্থী জনাব ইউসুফ গাজীর নির্বাচনে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই নির্বাচনে তৎকালিন সরকারি দলের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারা মারাত্মকভাবে শারীরিক নির্যাতন শিকার হন।

২০০৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব নাছির উদ্দিন আহম্মেদের নির্বাচনকালীন প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. দীপু মনির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং চাঁদপুর -৩ নির্বাচনী এলাকাটি দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আসনটি পুনরুদ্ধার করেন।
২০০৯ সালে উপজেলা নির্বাচন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৪ সালে উপজেলা নির্বাচন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. দীপু মনির নির্বাচন পরিচালনার প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর চাঁদপুর পৌরসভা মেয়র নির্বাচনে জনাব নাছির উদ্দিন আহম্মেদের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আগামি নির্বাচন সফল করতে হলে ওচমান গনি পাটওয়ারীর মতো অভিজ্ঞ, ত্যাগী এই প্রবীণ নেতাকে দলের খুব প্রয়োজন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 voiceofchandpur.com
Desing & Developed BY DHAKATECH.NET