বিজ্ঞপ্তি
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ. দেশের জনপ্রিয়  voiceofchandpur.com অনলাইন নিউজ-এ জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রতিটি থানায়. একজন থানা প্রতিনিধি ও প্রতি জেলায় একজন জেলা প্রতিনিধি  নিয়োগ দেওয়া হবে। 
ক্রিকেট জার্সিতে কি দেশের নাম থাকা বাধ্যতামূলক?

ক্রিকেট জার্সিতে কি দেশের নাম থাকা বাধ্যতামূলক?

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ উপলক্ষে বাংলাদেশ দলের জার্সি উন্মোচন নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। বিতর্কের বিষয়, জার্সির সামনে এত বড় করে স্পন্সরের নাম কেন এবং ‘বাংলাদেশ’ শব্দটি কোথাও লেখা নেই কেন? বিতর্কের মুখে রাতারাতি জার্সিতে ‘বাংলাদেশ’ শব্দটি যোগ করে দেয় বিসিবি। আইসিসি আয়োজিত বৈশ্বিক ইভেন্টগুলোতে দলগুলোর জার্সিতে দেশের নাম থাকে। আর সিরিজগুলোতে অনেক দেশ নাম রাখে আবার অনেকেই রাখে না। প্রশ্ন হলো, এ ক্ষেত্রে নিয়মটা কী?

বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্সের প্রধান আকরাম খানের যুক্তি, ‘বাংলাদেশ লিখতে হবে যে এমন কোনো কথা নেই, এটা তো বাংলাদেশই পরছে। বিশ্বকাপে লিখতে হয়, অনেক দেশ খেলে সেখানে।’ গতকাল রবিবার প্রকাশিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ জার্সিটিতে দেশের নাম যোগ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সামনে না পেছনে যোগ করা হবে সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট নীতিমালা নেই।’

জার্সিতে দেশের নাম থাকা কী বাধ্যতামূলক? আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) জার্সি বিষয়ক যে নীতিমালা আছে সেখানে জার্সিতে দেশের নাম থাকা বা না থাকা নিয়ে আলাদা কোনো নিয়ম নেই। তবে যেহেতু ক্রিকেটে বা যে কোনো খেলায় পৃষ্ঠপোষকরা একটা বড় ভূমিকা রাখেন সেজন্য তিনটি পর্যন্ত পৃষ্ঠপোষক কম্পানির লোগো রাখা যাবে যে কোনো জার্সিতে।

মূলত আইসিসি ইভেন্টগুলো, যেমন বিভিন্ন পর্যায়ের বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে জার্সিতে দেশের নাম থাকে তবে কিছু দেশ আছে যারা সবসময় জার্সিতে দেশের নাম রাখে। ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সিতে স্পন্সরের নামের নিচে সাধারণত বড় করে ‘ইন্ডিয়া’ লেখা থাকে। এমন দেখা গেছে আর শ্রীলঙ্কা আর দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষেত্রে। তবে অন্য কোনো দেশের ক্রিকেট দলের জার্সিতে এটা খুব একটা দেখা যায় না।

ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার মতো দলগুলো জার্সি নিয়ে বেশ খেলা করে। যেমন বেশ কয়েকটি দেশ ওয়ানডে ফরম্যাট ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভিন্ন রকম জার্সি পরে থাকে। বাংলাদেশেও ২০১৫ সালের আগে জার্সিতে নাম লেখার রীতি ছিল না। ২০০৫ সালের ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি, ২০১০ সালের নিউজিল্যান্ড সফরের ছবি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জার্সিতে লম্বা সময় লেখা ছিল গ্রামীন ফোন। ২০১২ এশিয়া কাপে এটা পরিবর্তন হয় তবে বাংলাদেশ নামটা আসে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০১৫ সালের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ থেকে। তবে তখনও ওপরে বড় করে স্পন্সরের নাম ছিল।

বাংলাদেশে জার্সি বিতর্ক এটাই প্রথম নয় : অনেকের মতে,বাংলাদেশের ক্রিকেটে এই জার্সি নিয়ে বিতর্ক একটা হালের ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগে বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তরা ২০১৯ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সবুজ জার্সি নিয়ে একটা প্রশ্ন তোলে। তখন অভিযোগ ছিল – জার্সিতে লাল রং না থাকায় সেটা পাকিস্তানের জার্সির মতো হয়ে গেছে। এছাড়া লাল রংয়ের অ্যাওয়ে জার্সিটি অনেকটা জিম্বাবুয়ের মতো দেখা যাচ্ছিল। এরপর সেই জার্সি আবারও পরিবর্তন করে বিসিবি।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 voiceofchandpur.com
Desing & Developed BY DHAKATECH.NET