বিজ্ঞপ্তি
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ. দেশের জনপ্রিয়  voiceofchandpur.com অনলাইন নিউজ-এ জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রতিটি থানায়. একজন থানা প্রতিনিধি ও প্রতি জেলায় একজন জেলা প্রতিনিধি  নিয়োগ দেওয়া হবে। 
ফরিদগঞ্জ কড়ৈতলী স্কুল মাঠ নয় যেন পুকুর

ফরিদগঞ্জ কড়ৈতলী স্কুল মাঠ নয় যেন পুকুর

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ১৭ মাস বিদ্যালয় বন্ধ থাকায়,সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যালয় খুলছে, প্রতিষ্ঠান শিক্ষা অপুযোগী করার লক্ষে সরকার ভিবিন্ন নির্দেশনা দিলে দক্ষিণ কড়ৈতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভিন্ন চিত্র।

দুই চার ঘন্টা বৃষ্টি হলে বৃষ্টির পানিতে চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৮ নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন ৪ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ কড়ৈতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ পানি এখন পুকুরে পরিনত হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বিদ্যালয়ের সামনের মাঠ দেখতে অনেকটা পুকুরের মতোই মনে হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার দক্ষিণ কড়ৈতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানিতে মাঠে থৈ থৈ পানি।দূর থেকে দেখে পুকুর বলে মনে হয়। এ সমস্যা নিরসনে কোনো উদ্যোগ নেয় না স্কুল কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়রা কয়েকজন জানান, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পানি নিষ্কাশনে কোনো উদ্যোগ নেয় না। ফলে দীর্ঘদিন যাবত মাঠে পানি আটকে রয়েছে। সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিলে ও এই বিদ্যালয়ে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের পাঠাতে ভয় পায় অভিভাবকরা,তারা আরো জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন প্রতিষ্ঠানের কোন কাজ করার ব্যাপারে কারো সাথে আলাপ না করে নিজেকে ক্ষমতাবান মনে করে নিজের ইচ্ছায় যেভাবে ভালো লাগে সেভাবে কাজ করে, এমনি ম্যানিজিং কমিটির কোন সদস্যকে তিনি পাত্তা দেন না।

কড়ৈতলী আলিম মাদ্রাসার সভাপতি কড়ৈতলী গ্রামের বাসিন্দা ইয়াছিন হাজী জানান এটা হলো প্রধান শিক্ষকের উদাসীনতা,প্রতিষ্ঠানের যে কোন কাজ করার আগে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্হা করা উচিত।

বিদ্যালয়ের সহসভাপতি হেলাল সর্দার জানান একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকই সার্বিক সকল কিছু দেখে,তার সহযোগীতা বা সহানুভূতি থাকলে সকল কাজ সুন্দর করে করা যায়।কিন্তু আমাদের বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ম্যানিজিং কমিটির সদস্যদের সাথে আলাপ না করে নিজের মর্জিমত কাজ করে,আমি প্রতিষ্টানে প্রায় সময় যাওয়ার কারণে কিছু জানলেও অন্য সদস্যরা কিছুই জানেনা,কোন প্রকল্প আসলে কত টাকা বাজেট তা আমরা জানি না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন জানান বিষয়টি আমি এই মাত্র জেনেছি,আমি দ্রুত ব্যবস্হা গ্রহণ করবো।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 voiceofchandpur.com
Desing & Developed BY DHAKATECH.NET