বিজ্ঞপ্তি
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ. দেশের জনপ্রিয়  voiceofchandpur.com অনলাইন নিউজ-এ জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রতিটি থানায়. একজন থানা প্রতিনিধি ও প্রতি জেলায় একজন জেলা প্রতিনিধি  নিয়োগ দেওয়া হবে। 
মেসে সিট নিয়ে ইবি শিক্ষার্থীদের মারামারি!

মেসে সিট নিয়ে ইবি শিক্ষার্থীদের মারামারি!

আবাসিক হল বন্ধ থাকায় পরীক্ষা দিতে এসে মেসে সিট ভাড়া নেওয়াকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী এলাকার এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলের পেছনে ত্রিবেণী এলাকার একটি মেসে থাকতেন বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ধ্রুব। চলতি মাসে তিনি মেস ছেড়ে চলে গেলেও ভাড়া পরিশোধিত থাকায় তার বন্ধু মার্কেটিং বিভাগের হাফিজ ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সাকিবকে রেখে যান। পরে হাফিজ ও সাকিব ওই মেসের অন্য একটি কক্ষ ভাড়া নিতে চাইলে মেস মালিক তাদেরকে ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানান। মেস মালিকের দাবি, তিনি ইতোমধ্যেই কক্ষটি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ছাত্র সেলিমের মাধ্যমে তার এক বন্ধুকে ভাড়া দিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মেস মালিকের সঙ্গে কথা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সেলিম তার বন্ধু মামুনকে নিয়ে মেসে উঠতে গেলে বাঁধা দেয় মেসে থাকা হাফিজ ও সাকিব। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাফিজ তার বন্ধুদের ডেকে এনে সেলিম ও মামুনকে মারধর করে। পরে সেলিমের বন্ধুরা এলে আবারো হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে মেস মালিক ও কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষার্থীর মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাফিজ বলেন, মেস মালিক প্রথমে আমাদের ভাড়া দিতে চেয়ে পরে আমাদের বাদ দিয়ে অন্যদের সেই রুমে উঠায়। এ ছাড়া আমাদের বন্ধু এই মাসের ভাড়া পরিশোধ করেছে। কিন্তু মাস শেষ না হতেই এখানে আরেকজনকে উঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে সেলিম বলেন, মেস মালিক তাদেরকে রুম ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানায়। মেস মালিক আমার মাধ্যমে মামুনকে ওই রুমে উঠাতে বলে। আমি তাকে সেখানে উঠাতে গেলে হাফিজ রেগে গিয়ে আমাকে মারধর করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে জেনে আমি শৈলকুপা থানায় যোগাযোগ করেছি। তারা বিষয়টি সম্পর্কে দেখভাল করবে বলে জানিয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের মাঝে সম্পৃতি বজায় রেখে চলা উচিৎ।

১২ সেপ্টেম্বর থেকে হল বন্ধ রেখে ইবিতে সশরীরে বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষা শুরু চলছে। বর্তমানে ২২টিরও বেশি বিভাগে পরীক্ষা চলছে। এ ছাড়া অধিকাংশ বিভাগ বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ করেছে। ফলে এক সাথে অনেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস পার্শবর্তী মেসগুলোতে অবস্থান করছে। এসব এলাকায় পর্যাপ্ত মেস না থাকায় শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা প্রকট আকার ধারন করেছে। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আবাসিক হল খোলার দাবি জানিয়ে আসছেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 voiceofchandpur.com
Desing & Developed BY DHAKATECH.NET