বিজ্ঞপ্তি
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ. দেশের জনপ্রিয়  voiceofchandpur.com অনলাইন নিউজ-এ জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রতিটি থানায়. একজন থানা প্রতিনিধি ও প্রতি জেলায় একজন জেলা প্রতিনিধি  নিয়োগ দেওয়া হবে। 
আকরাম-রফিক-সুজনদের ইতিহাস গড়ার দিন আজ

আকরাম-রফিক-সুজনদের ইতিহাস গড়ার দিন আজ

সেই সময় বাংলাদেশ দল ছিল সাদামাটা। কোনো আন্তর্জাতিক তারকা ছিল না। বোর্ডে তেমন কোনো সুযোগ সুবিধাও ছিল না। জিম কী জিনিস- সেটা কেউ জানত না। ক্রিকেটারদের বেতন-ভাতা ছিল অতি সামান্য। অনেকটা ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো করে ক্রিকেট খেলতেন আকরাম খান-আমিনুল ইসলাম-মিনহাজুল-রফিকরা। সেই ভাঙাচোরা সাদামাটা দল নিয়েই ২৪ বছর আগে তারা এমন কীর্তি গড়েন, যা বাংলাদশের ক্রিকেটের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। kalerkantho

১৯৯৭ সালের ১৩ এপ্রিল মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি জিতেছিল বাংলাদেশ। আগের দিনই অবশ্য ঘটেছিল সেই ঐতিহাসিক ঘটনা। ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে স্কটল্যান্ডকে ৭২ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় বাংলাদেশ। আকরামদের ৭ উইকেটে ২৪৩ রানের জবাবে ১৭১ রানেই গুটিয়ে যায় স্কটল্যান্ড। ব্যাট হাতে খালেদ মাসুদ পাইলটের ৭০, আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ৫৭ আর মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর ৩১ বলে ৩৯ রানে এই স্কোর গড়ে টাইগাররা। kalerkantho

এরপর বল হাতে মূল কাজটা সেরে দেন মোহাম্মদ রফিক আর এনামুল হক। স্পিন সুপারস্টার রফিক নেন ৫.৫ ওভারে ২৫ রানে ৪ উইকেট। আর এনামুলের শিকার ১০ ওভারে মাত্র ৩১ রান দিয়ে ৩ উইকেট। ১ উইকেট নেন নাঈমুর রহমান দুর্জয়। এই জয়ে বাংলাদেশের ১৯৯৯ বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত হয়ে যায়। ওই বিশ্বকাপেই ওয়াসিম-ওয়াকারদের দুর্ধর্ষ পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ক্রিকেটে শুরু হয় এক নতুন যুগের। kalerkantho

কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল কেনিয়া। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ তখন কেনিয়ার মতো দেশের সঙ্গেও হারত। কেনিয়া ছিল বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। তাই টানটান উত্তেজনা নিয়ে সবাই খেলা দেখতে বসে। আগে ব্যাট করে কেনিয়া তোলে ৭ উইকেটে ২৪১ রান। স্টিভ টিকলো খেলেন ১৪৭ রানের ইনিংস। ২টি করে উইকেট নেন খালেদ মাহমুদ সুজন আর সাইফুল ইসলাম। কিন্তু বাংলাদেশকে সুবিধা করে দেয় বৃষ্টি। kalerkantho

ডাকওয়ার্থ লুইস মেথডে ২৫ ওভারে বাংলাদেশের টার্গেট দাঁড়ায় ১৬৬ রান। কিন্তু মাঠে নেমেই যথারীতি ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। কেউই বড় স্কোর করতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এছাড়া ওপেনিং করা রফিকের ১৫ বলে ২৬, নান্নুর ৩৩ বলে ২৬, অধিনায়ক আকরাম খানের ২৭ বলে ২২, সাইফুলের ১৩ বলে ১৪ আর খালেদ মাসুদ পাইলটের অপরাজিত ৭ বলে ১৫ রানে ২ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 voiceofchandpur.com
Desing & Developed BY DHAKATECH.NET