বিজ্ঞপ্তি
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ. দেশের জনপ্রিয়  voiceofchandpur.com অনলাইন নিউজ-এ জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রতিটি থানায়. একজন থানা প্রতিনিধি ও প্রতি জেলায় একজন জেলা প্রতিনিধি  নিয়োগ দেওয়া হবে। 
সংবাদ শিরোনাম
কচুয়ায় অযত্নে পড়ে আছে তুলাতলীর ঐতিহ্যবাহী মঠ

কচুয়ায় অযত্নে পড়ে আছে তুলাতলীর ঐতিহ্যবাহী মঠ

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামে প্রায় ৪’শ বছরের পুরানোকীর্তি তুলাতলীর মঠটি অযত্ন-অবহেলায় পড়ে রয়েছে।

প্রকৃতি আর পুরাকীর্তি যাদের আকর্ষন করে তাদেরকে ছুটে আসতে হবে উপজেলার তুলাতলী গ্রামে। সেকালের নানা পুরাকীর্তির নিদর্শন ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে গোটা তুলাতলী এলাকা জুড়ে। এমনই এক পুরাকীর্তির নাম তুলাতলী মঠ মন্দির।

কচুয়া উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দক্ষিনে তুলাতলী গ্রামে এই মঠটির অবস্থান। যার প্রতিষ্ঠাতা তৎকালীন জমিদার যাত্রা মনি মজুমদার।

তৎকালীন জমিদার যাত্রা মনি মজুমদার প্রতিষ্ঠিত এ মঠটি তার পরিবারের কেউ না থাকলে এলাকাবাসী ওই মঠটি দেখাশুনা করছেন। প্রায় ৪’শ বছরের পুরানো পিরামিট আকৃতির ৯৬ ফুট উচু চেরাকাটি ফলক খচিত প্রাচীন স্থাপত্যের অপরুপ নিদর্শন হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে এই মঠটি। জরাজীর্ণ ভগ্নদশা ঐতিহাসিক এই মঠ মন্দিরটি এখন সংরক্ষণ না করা গেলে একটি জাতীয় সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাবে তা নিশ্চিত করে বলা যায়।

এলাকাবাসীর দাবি,সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে মঠটি সংরক্ষন করা গেলে এটি হতে পারতো সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সকল মানুষের কাছে দর্শনীয় স্থান ও আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র।

মঠের সভাপতি অনাথ মজুমদার ও সেক্রেটারী হরিকমল মজুমদার বলেন, এটি আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য। এখানে নানা ধরের লোকজন ঐতিহ্যবাহী মঠটি দেখতে দলবেধে আসেন। কিন্তু ৪শ বছরের এই মঠ এখন অবহেলার পাত্র হিসেবে পড়ে রয়েছে। প্রায় ২০ বছর পূর্বে ১৯৯৮ সালে এই মঠটি কিছুটা সংস্কার হলেও বর্তমানে আর কোনো মেরামত হয়নি।

যার কারণে অযত্ন ও অবহেলার কারণে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে তুলাতলী মঠটি। তাই স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিনোদন প্রেমী মানুষদের পক্ষ থেকে তুলতলী এ মঠটি সংস্কার করতে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সুলতানা খানম বলেন, মঠ পরিচালনা কমিটি কিংবা স্থানীয়দের পক্ষ থেতে কেউ মঠটির সংস্কারের দাবি জানালে তা সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।

তবে কচুয়ার ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থান হিসেবে বিশেষ বিবেচনায় আমাদের প্রিয় নেতা কচুয়ার অভিভাবক সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি মহোদয়ের সাথে আলোচনা করে বরাদ্দ দিয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।

কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপায়ণ দাস শুভ বলেন, তুলাতলী মঠটি কচুয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। প্রশাসনিক ভাবে এই মঠটি রক্ষা করার জন্য যা যা করণীয় তা উদ্যোগ নেয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 voiceofchandpur.com
Desing & Developed BY DHAKATECH.NET