বিজ্ঞপ্তি
জরুরী ভিত্তিতে সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ. দেশের জনপ্রিয়  voiceofchandpur.com অনলাইন নিউজ-এ জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রতিটি থানায়. একজন থানা প্রতিনিধি ও প্রতি জেলায় একজন জেলা প্রতিনিধি  নিয়োগ দেওয়া হবে। 
ফরিদগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা,চলছে শ্রেণি কার্যক্রম

ফরিদগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা,চলছে শ্রেণি কার্যক্রম

 

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি:

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১২ সেপ্টেম্বরের পুর্বেই শিক্ষার্থীদের হাত ধোঁয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে রাখলেও চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার চির্কা চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে বিপরীত চিত্র।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) হাত ধোঁয়ার স্থানে টাইলস লাগাচ্ছে মিস্ত্রিরা। পুরো প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকার কথা থাকলেও স্থানে স্থানে ময়লা আর্বজনা দেখা গেছে।

জানা গেছে, করোনা মহামারি কাটিয়ে প্রায় দেড় বছর পর গত ১২ই সেপ্টেম্বর রোববার খুলছে বিদ্যালয়গুলো। বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রতিটি বিদ্যালয়েই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মত। শিক্ষার্থীদের কাছে পেয়ে আনন্দে উদ্বেলিত ছিলেন শিক্ষকরাও।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রথম দিনে পড়াশোনার চেয়ে সচেতনতায়ই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বেশি। কিন্তু সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর ) সকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফরিদগঞ্জ ৯নং গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চির্কা চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিন্ন চিত্র। সাড়ে তিনশত শিক্ষার্থীর জন্য তখন পর্যন্ত হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ করতে পারেন নি। তবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে শিক্ষকরা ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিকালের শিফটে এবং সকালের শিফটে অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছে। কিন্তু নিজেদের এবং শিক্ষার্থীদের সুরক্ষিত রাখতে হাত ধোঁয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা না করাটি ছিল দৃষ্টিকটু। বিদ্যালয় মাঠে নানা স্থানে ময়লা আবর্জনা দেখা গেছে।
এব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম নুরুল আমিন জানান, কয়েকদিন পুর্বে অর্থ পেয়েছি। টাকা পেয়েই কাজ শুরু করছি,২/৩ দিনের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে। ময়লা আবর্জনা পড়ে থাকার বিষয়ে তিনি জানান, বিদ্যালয় মাঠে হাট বসে , তাই ময়লা আবর্জনা।

যদিও সর্বশেষ শুক্রবার দিন হাট বসে বিদ্যালয় মাঠে। এসময় তিনি প্রভাবশালীদের কারণে মাঠ পরিস্কার রাখতে পারেন না বলে জানান।

প্রতিষ্ঠানের এসএমসির সভাপতি মহিউদ্দিন সরকার জানান, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকই তড়িৎ কর্মঠ হলে, সকল কাজই যথাসময়ে সম্পন্ন করা সম্ভব। তিনি এক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনির উজ্জামান বলেন, জুন মাসে টাকা পাওয়ার পরেও কেন এত দেরি করলো,তা দেখে আমি ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। বিদ্যালয় ক্লাস শুরুর প্রধান শর্ত শতভাগ স্বাস্থ্য বিধি মানা।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 voiceofchandpur.com
Desing & Developed BY DHAKATECH.NET