প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ৩:০৪ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

মধ্যরাতে ছাপাখানায় শিক্ষামন্ত্রী, যাচাই করলেন বইয়ের মান

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য পাঠ্যবইয়ের মুদ্রণ ও গুণগত মান যাচাই করতে রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানা পরিদর্শন করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার পর তিনি এসব ছাপাখানা পরিদর্শন করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ রাত ১টার দিকে এ তথ্য জানায়।

পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী ছাপাখানায় বই মুদ্রণের কাজ সরেজমিনে দেখেন। বিভিন্ন বইয়ের বান্ডিল থেকে নমুনা কপি বের করে কাগজ, ছাপা ও বাঁধাইয়ের মান যাচাই করেন। পাশাপাশি মানসম্মত বই মুদ্রণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য (টেক্সট) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু জানান, নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই মুদ্রণের কাজ পুরোদমে চলছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বই পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া যায়।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি পাঠ্যবই ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বই মুদ্রণে সরকারের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা।

এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি এবং ইবতেদায়ি প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি বই ছাপানো হবে। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য ছাপানো হবে প্রায় ১৮ কোটি বই। নবম শ্রেণির জন্য নির্ধারিত রয়েছে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে ৯ হাজার ৪ কপি ব্রেইল বই।

আসন্ন শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘আমাদের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘আনন্দময় শিক্ষা’ ও ‘কারিগরি শিক্ষা’ নামে নতুন চারটি বিষয়ের বই যুক্ত হচ্ছে।

নতুন ও পরিমার্জিত পাঠ্যবই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতে মুদ্রণ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি।

প্রিন্ট করুন