প্রকাশের সময়: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ । ৭:১৯ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তি দারুল কুরআন মাদরাসায় ৪৩ শিক্ষার্থীকে সবক প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে শাহরাস্তি দারুল কুরআন মাদরাসার সবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) মাদরাসার হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৪৩ জন শিক্ষার্থীকে সবক প্রদান করা হয়। এ ছাড়া হিফজ সম্পন্ন করা দুই শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা মাহফুজুর রহমান বুলবুলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান মুফাসসির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুহাদ্দিস রফিকুল্লাহ আফসারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে সবক প্রদান করেন সাদ্রা ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন মো. মোত্তাকিন। পরে শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে কোরআন তিলাওয়াত পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বে ইংরেজিতে বক্তব্য দেয় মাদরাসার শিক্ষার্থী তাসনীম আলী কাউসার।

বক্তব্যে মুহাদ্দিস রফিকুল্লাহ আফসারী শিক্ষার্থীদের প্রতি স্নেহশীল আচরণ করার জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “দয়া করে আপনারা শিক্ষার্থীদের মারবেন না। আপনাদের যদি মারতে ইচ্ছা হয়, প্রয়োজনে আমাকে মারবেন, তারপরও এই কোমলমতি শিশুদের মারবেন না।”

তিনি বলেন, শিশুদের ভালোবাসা, স্নেহ ও আন্তরিকতার মাধ্যমে শিক্ষা দিতে হবে। তাদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বিকাশে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কোরআন-সুন্নাহর আলোকে শিক্ষার্থীদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে হিফজ সম্পন্ন করা দুই শিক্ষার্থী হাফেজ জাফির ইসলাম ও হাফেজ আইমান পবিত্র কোরআন থেকে হিফজের শেষ পৃষ্ঠা তিলাওয়াত করে শোনায়। পরে তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, বাদশাহ ফয়সাল, আলী আজগর মিয়াজী, হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহমদ চাঁদপুরী, মাওলানা সামছুদ্দিন জায়েদী, হাফেজ মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মাওলানা আনাছ, মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা মোশারফ হোসেন ও হাফেজ কবির হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈনুল ইসলাম কাজলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কোরআন শিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং হিফজের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রিন্ট করুন