বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অনার্সের পর মাস্টার্সেও প্রথম শিবির নেতা সাজ্জাদ হাসান খান, ফল প্রকাশের দিনই ছাড়লেন হল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬, ৮:৫১ এএম

শিবির নেতা সাজ্জাদ হাসান খান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ইসলামি ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হাসান খান অনার্সের পর মাস্টার্স পরীক্ষাতেও ৪.০০ সিজিপিএ অর্জন করে এককভাবে প্রথম স্থান লাভ করেছেন। ফল প্রকাশের দিনই তিনি নিজের আবাসিক হলের সিট ছেড়ে দেন।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ২০২৪ সালের মাস্টার্স দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষার ফল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে। ফল প্রকাশের দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে হল ত্যাগ করেন সাজ্জাদ হাসান খান।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অনার্স পর্যায়েও তিনি ৪.০০ সিজিপিএ অর্জন করে প্রথম স্থান লাভ করেছিলেন। মাস্টার্সেও একই ফল ধরে রেখে এককভাবে প্রথম হওয়ায় সহপাঠী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।

হল ছাড়ার সময় সাজ্জাদ হাসান খান বলেন, “আজই ফল প্রকাশ হয়েছে। তাই আজই আনুষ্ঠানিকভাবে হল ছেড়ে দিচ্ছি। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর হলে উঠেছিলাম। আজ আমার হলজীবনের সমাপ্তি হলো।”

তিনি আরও বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বড় সমস্যা হলো সিট সংকট। এই সংকটকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন সময় গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতির সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন এবং হলে শুধুমাত্র নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অবস্থান নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।”

ফল প্রকাশের দিনই হল ত্যাগের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন নীতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

জাতীয় বাজেটকে ‘নৈতিক দলিল’ হিসেবে প্রণয়নের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬, ৯:১৮ এএম
অনার্সের পর মাস্টার্সেও প্রথম শিবির নেতা সাজ্জাদ হাসান খান, ফল প্রকাশের দিনই ছাড়লেন হল

আসন্ন জাতীয় বাজেটকে শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব হিসেবে নয়, বরং বৈষম্য হ্রাস ও সাধারণ মানুষের উন্নয়নের নৈতিক দলিল হিসেবে প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। তাদের মতে, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব না দিলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত “স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষি খাতে প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা” শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলা হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ড. মাহবুব উল্লাহ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম।

এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন নূরুন্নিসা সিদ্দিকা, ড. খ ম কবিরুল ইসলাম, ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, মাসুমুর রহমান খলিলী এবং ডা. মোহাম্মদ রুহুল আমিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. মোজাম্মেল হক এবং সঞ্চালনা করেন ড. খুরশীদ আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বলেন, মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে বরাদ্দকৃত অর্থ অনেক সময় কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায় না। হাসপাতালের ভবন নির্মাণ হলেও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় যন্ত্রপাতি অকেজো পড়ে থাকে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাজেটের আকার বাড়লেও কর আদায়ে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি। প্রশাসনিক দুর্বলতা ও অদক্ষতার কারণে রাজস্ব আহরণে ঘাটতি রয়েছে। সরকারি বিভাগগুলোকে প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষ করে তোলার পাশাপাশি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস এবং উপজেলা পর্যায়ে স্বতন্ত্র বাজেট ও পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।

প্রধান আলোচক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, প্রচলিত ধারণায় বাজেট সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাব হলেও বাস্তবে তা অনেক সময় ধনিকগোষ্ঠীর কাছে সম্পদ স্থানান্তরের মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায়। তাই বাজেটকে এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে, যাতে তা বৈষম্য না বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করে।

তিনি বলেন, সীমিত কৃষিজমির দেশে কৃষিখাতে বিশেষ বরাদ্দ অব্যাহত রাখা জরুরি। পাশাপাশি কৃষিজমিতে অপরিকল্পিত আবাসন নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। স্বাস্থ্যখাত প্রসঙ্গে তিনি শিশু অপুষ্টি রোধে কার্যকর উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ ও মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

মূল প্রবন্ধে ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সরকারি, বেসরকারি, ইংরেজি মাধ্যম ও মাদরাসা ধারায় বিভক্ত হওয়ায় সমমানের দক্ষতা ও নাগরিক চেতনা গড়ে উঠছে না। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলায় STEM শিক্ষা, গবেষণা এবং সমালোচনামূলক চিন্তার বিকাশ জরুরি বলে মত দেন তিনি।

স্বাস্থ্যখাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা উচ্চমূল্যের বেসরকারি ও অতিরিক্ত চাপগ্রস্ত সরকারি সেবার মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এতে চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ বহু পরিবারকে আর্থিক সংকটে ফেলছে। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, ডিজিটাল স্বাস্থ্য ডেটাবেজ, টেলিমেডিসিন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক রোগ নির্ণয় ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

কৃষিখাত নিয়ে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, ঋণের চাপ ও ন্যায্যমূল্যের অভাবে প্রান্তিক কৃষকরা সংকটে রয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে জলবায়ু-সহনশীল প্রযুক্তি, আধুনিক সংরক্ষণাগার ও কৃষকবান্ধব বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

সংসদ সদস্য নূরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তাহীনতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাজেটে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকের সুরক্ষা ও বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

ড. খ ম কবিরুল ইসলাম বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের কম বেতনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে শিক্ষা ব্যবস্থার বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানান।

ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, কৃষি দেশের অস্তিত্বের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই কৃষিসংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে আরও সমন্বয় প্রয়োজন।

ডা. মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, স্বাস্থ্যসেবা ধীরে ধীরে পণ্যনির্ভর হয়ে উঠছে। ফলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে বিদেশে চিকিৎসা বাবদ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ও কমানো সম্ভব হবে।

মাসুমুর রহমান খলিলী বলেন, বাজেটের বিভিন্ন ভর্তুকি প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায় না। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ছে। তাই গবেষণার মাধ্যমে আগাম ফসল উৎপাদনে সক্ষম জাত উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে ড. মোজাম্মেল হক বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে বাস্তব চাহিদার সংযোগ এখনও দুর্বল। গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে বাস্তব প্রয়োগে রূপ দিতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। একইসঙ্গে কৃষিজমি সংরক্ষণ, ব্লু ইকোনমি ও বায়ো ইকোনমিতে বিনিয়োগ এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

নারী-শিশু নিরাপত্তায় কার্যকর উদ্যোগের দাবিতে ইসলামী ছাত্রীসংস্থার মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬, ৯:১৩ এএম
অনার্সের পর মাস্টার্সেও প্রথম শিবির নেতা সাজ্জাদ হাসান খান, ফল প্রকাশের দিনই ছাড়লেন হল

মিরপুরে শিশু রামিসা হত্যা, দেশে চলমান নারী নির্যাতন, ধর্ষণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভানেত্রী ও ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্নাসহ শাখার নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। ধর্ষণ মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও অনেক ক্ষেত্রে বিচার কার্যক্রমে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় অপরাধীরা শাস্তি এড়িয়ে যাচ্ছে।

বক্তব্যে সাবিকুন্নাহার তামান্না বলেন, শিশু রামিসার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড বিচারহীনতার সংস্কৃতির একটি ভয়াবহ উদাহরণ। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্কের বাইরে গিয়ে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীরা গ্রেপ্তার হলেও দ্রুত জামিনে মুক্ত হয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

তার ভাষ্য, “দেশের মা-বোনেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, কোমলমতি শিশুরা ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হচ্ছে। অথচ এসব প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়।”

এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের নারীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে সাবিকুন্নাহার তামান্না বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার পরও তাকে গ্রেপ্তার না করা বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়। পাশাপাশি অনলাইন হয়রানি, স্লাট-শেমিং, গার্হস্থ্য সহিংসতা এবং সামাজিক অবক্ষয় মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক উদ্যোগ জোরদারের দাবি জানান তিনি।

মানববন্ধনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আসমা খাতুন বলেন, “রামিসা, তনু, আছিয়াসহ দেশের সকল নির্যাতিত নারী ও শিশুর পক্ষে আমরা বিচার চাই। আর কতবার আমাদের রাজপথে নামতে হবে?”

আরেক শিক্ষার্থী সুমাইয়া ফাহমিদা বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই দেশে ধারাবাহিকভাবে হত্যা, ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। বিচারব্যবস্থা দুর্বল হলে অনিয়ম ও অবিচার সমাজে স্থায়ী রূপ নিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মানববন্ধন থেকে শিশু রামিসা হত্যা মামলার অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে নারী ও শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের প্রতি জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান বক্তারা।

ড্যাফোডিল কলেজ বাবুরহাট ক্যাম্পাসে আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
অনার্সের পর মাস্টার্সেও প্রথম শিবির নেতা সাজ্জাদ হাসান খান, ফল প্রকাশের দিনই ছাড়লেন হল

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের বাবুরহাট ক্যাম্পাসে এইচএসসি ও সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ জুন) কলেজ অডিটোরিয়ামে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় যুক্তি, উপস্থাপনা ও পারফরম্যান্সে এগিয়ে থেকে সিএসই বিভাগ বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আক্তার হোসেন। বিতর্ক পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন বিশিষ্ট বিতার্কিক ও ড্যাফোডিল স্কুলের শিক্ষক মো. রুবেল হোসেন।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ বাবুরহাট ক্যাম্পাসের উপাধ্যক্ষ মো. ফয়সাল আহমেদ ফরাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. সেলিম মিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ফ্যামিলি চাঁদপুরের কো-অর্ডিনেটর মো. মাহবুব হোসেন এবং কলেজের সিনিয়র অফিসার মো. সালমান ফারদিন চৌধুরী।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

এ সময় স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

×