শাহরাস্তি দারুল কুরআন মাদরাসায় ৪৩ শিক্ষার্থীকে সবক প্রদান

শাহরাস্তি দারুল কুরআন মাদরাসায় ৪৩ শিক্ষার্থীকে সবক প্রদান

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে শাহরাস্তি দারুল কুরআন মাদরাসার সবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) মাদরাসার হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৪৩ জন শিক্ষার্থীকে সবক প্রদান করা হয়। এ ছাড়া হিফজ সম্পন্ন করা দুই শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা মাহফুজুর রহমান বুলবুলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান মুফাসসির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুহাদ্দিস রফিকুল্লাহ আফসারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে সবক প্রদান করেন সাদ্রা ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন মো. মোত্তাকিন। পরে শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে কোরআন তিলাওয়াত পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বে ইংরেজিতে বক্তব্য দেয় মাদরাসার শিক্ষার্থী তাসনীম আলী কাউসার।

বক্তব্যে মুহাদ্দিস রফিকুল্লাহ আফসারী শিক্ষার্থীদের প্রতি স্নেহশীল আচরণ করার জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “দয়া করে আপনারা শিক্ষার্থীদের মারবেন না। আপনাদের যদি মারতে ইচ্ছা হয়, প্রয়োজনে আমাকে মারবেন, তারপরও এই কোমলমতি শিশুদের মারবেন না।”

তিনি বলেন, শিশুদের ভালোবাসা, স্নেহ ও আন্তরিকতার মাধ্যমে শিক্ষা দিতে হবে। তাদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বিকাশে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কোরআন-সুন্নাহর আলোকে শিক্ষার্থীদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে হিফজ সম্পন্ন করা দুই শিক্ষার্থী হাফেজ জাফির ইসলাম ও হাফেজ আইমান পবিত্র কোরআন থেকে হিফজের শেষ পৃষ্ঠা তিলাওয়াত করে শোনায়। পরে তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, বাদশাহ ফয়সাল, আলী আজগর মিয়াজী, হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহমদ চাঁদপুরী, মাওলানা সামছুদ্দিন জায়েদী, হাফেজ মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মাওলানা আনাছ, মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা মোশারফ হোসেন ও হাফেজ কবির হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈনুল ইসলাম কাজলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কোরআন শিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং হিফজের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

চাপাতলী লতিফিয়া ফাজিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

শাহরাস্তি দারুল কুরআন মাদরাসায় ৪৩ শিক্ষার্থীকে সবক প্রদান

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার চাপাতলী লতিফিয়া ফাজিল মাদ্রাসার নবগঠিত গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন রহিমানগর ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ হুমায়ুন কবির। একই কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মাসনিগাছা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আমিন উল্যাহ।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল তিনটায় মাদ্রাসার শিক্ষক মিলনায়তনে নবগঠিত গভর্নিং বডির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গভর্নিং বডির সভাপতি হুমায়ুন কবির। সভা পরিচালনা করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মনিরুল ইসলাম মজুমদার।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সভাপতি হুমায়ুন কবির। তাঁকে সভাপতি মনোনীত করায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট নাজমুন্নাহার বেবীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় চাপাতলী মাদ্রাসাসহ কচুয়ার সার্বিক উন্নয়নে তাঁদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

সভায় মাদ্রাসার নবগঠিত গভর্নিং বডির সদস্যরা পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, ইভ টিজিং প্রতিরোধ এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা দমনে করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি মো. আমিন উল্যাহ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আবদুল হাই, চিকিৎসক ডা. রেফায়েত উল্লাহ, সদস্য মোতাহের হোসেন, মাসুদ আলম, কবির হোসেন লিটন ও ফারুক হোসেন।

নবগঠিত গভর্নিং বডিতে দায়িত্ব পাওয়া সভাপতি ও সহ-সভাপতি সহ সব সদস্যকে মাদ্রাসা পরিবার এবং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়। অভিনন্দন জানানো হয়েছে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাওলানা আবদুল হাই, শিক্ষানুরাগী সদস্য মোতাহের হোসেন মামুন, সাইফুল ইসলাম রাসেলসহ কমিটির দাতা, অভিভাবক, শিক্ষক প্রতিনিধি ও অন্যান্য সদস্যদের।

সভা শেষে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোষণা করেন সভাপতি হুমায়ুন কবির।

মৃত্যুর আগে বাবাকে লাইভ লোকেশন পাঠিয়েছিল তাজমিন

শাহরাস্তি দারুল কুরআন মাদরাসায় ৪৩ শিক্ষার্থীকে সবক প্রদান

কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের (১৪) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত্যুর আগের রাতে বাবার মুঠোফোনে নিজের লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল তাজমিন। কিন্তু এরপর কী ঘটেছিল, কীভাবে সে নির্জন ধানক্ষেতে পৌঁছাল এবং কারা তার মৃত্যুর জন্য দায়ী, তা এখনো জানা যায়নি। ঘটনাস্থলের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন আলামতের সূত্র ধরে তদন্ত করছে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল।

প্রাথমিকভাবে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনাস্থলের আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।

বাবাকে পাঠিয়েছিল লাইভ লোকেশন

নিহত জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের আবদুল আলীমের মেয়ে। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা আবদুল আলীম রেনেটা ওষুধ কোম্পানির কুমিল্লা অঞ্চলে চাকরি করেন। পরিবারের সদস্যরা নগরীর রেসকোর্স এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চার দিন আগে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল তাজমিন। পরে সে কক্সবাজারে গিয়েছিল বলে জানা যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় নেমেছিল সে।

ঘটনার আগের রাতে বাবার মুঠোফোনে নিজের লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল তাজমিন। তবে বাবাকে অবস্থান জানানোর পর তার সঙ্গে কী ঘটেছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

কক্সবাজার থেকে ফেরার পর তাজমিন কীভাবে লালমাইয়ের জগতপুর এলাকায় পৌঁছাল, কার সঙ্গে সেখানে গিয়েছিল এবং কীভাবে তার মৃত্যু হলো—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
ঘটনাস্থলে অটোরিকশা, ধানক্ষেতে ধস্তাধস্তির চিহ্ন
জগতপুর গ্রামের ভেতর দিয়ে যাওয়া নির্জন পাকা সড়কটির দুই পাশে বিস্তৃত ফসলি জমি। সড়কের কাছাকাছি কয়েকটি ধানক্ষেতে ধানগাছ এলোমেলো হয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। সেখানে ধস্তাধস্তি বা দৌড়াদৌড়ির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সড়কের এক পাশে ধানক্ষেতে পড়ে ছিল একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। পরে স্থানীয় লোকজন সেটি টেনে সড়কের ওপর তুলে আনেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশাটি জব্দ করেছে। গাড়িটির নিবন্ধন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সেটির সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

 

হত্যা মামলা করেছেন বাবা

বৃহস্পতিবার সকালে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যা সাতটার দিকে স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে যশোরের উদ্দেশে রওনা হন। যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার কথা জানিয়েছে পরিবার।

এ ঘটনায় তাজমিনের বাবা আবদুল আলীম বাদী হয়ে লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন।

কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সেখান থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে। নিহতের শরীরে দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে তার গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

মোস্তাইন বিল্লাহ আরও বলেন, জব্দ করা অটোরিকশাটির নিবন্ধন রয়েছে। গাড়িটির সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশের একাধিক ইউনিট কাজ করছে।

ফরিদগঞ্জের গৃদকালিন্দিয়া বাজারে আগুনে পুড়ল ৪ দোকান

শাহরাস্তি দারুল কুরআন মাদরাসায় ৪৩ শিক্ষার্থীকে সবক প্রদান

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় পাশের আরও তিনটি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনে অর্ধকোটি টাকার মতো মালামাল পুড়ে গেছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক হিসাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাজারের ‘মুদি গলি’তে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১২টার দিকে ‘শহীদ সু স্টোর’ নামের একটি জুতার দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের ‘আদর্শ ফার্মেসিতে’ ছড়িয়ে পড়ে। পরে আগুন মনিরের মুদি দোকান ও মাইনউদ্দিনের মুদি দোকানেও ছড়িয়ে পড়ে। এতে চারটি দোকানের মালামাল পুড়ে যায়।

এ ছাড়া রফিকের মুদি দোকান, নেছার আহমেদের মুদি দোকান ও ফরিদ ডাক্তারের ওষুধের দোকানের কিছু অংশ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ১২ সদস্যের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

‘আদর্শ ফার্মেসি’র মালিক টুটুল চন্দ্র শীল বলেন, ‘আমরা দুই ভাই অনেক কষ্ট করে এই ফার্মেসি দাঁড় করিয়েছিলাম। আগুনে সব শেষ হয়ে গেছে। ফার্মেসির প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ওষুধ ও মালামাল পুড়ে গেছে।’

‘শহীদ সু স্টোর’-এর স্বত্বাধিকারী বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন। দোকান বন্ধ থাকা অবস্থায় আগুন লাগে। এতে তাঁর প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এ ছাড়া মনিরের মুদি দোকানের প্রায় ৫ লাখ টাকা এবং মাইনউদ্দিনের মুদি দোকানের প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

গৃদকালিন্দিয়া বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ জামাল বলেন, ‘ডাক-চিৎকার শুনে দ্রুত বাজারে এসে স্থানীয়দের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসকে আগুন নেভাতে সহযোগিতা করি। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত না এলে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত।’

তিনি বাজারের ব্যবসায়ীদের পুরোনো বৈদ্যুতিক তার, সুইচ ও সকেট পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসের লিডার রবিউল আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তাঁদের হিসাবে অগ্নিকাণ্ডে আনুমানিক ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বাজারের অন্য দোকানগুলো রক্ষা পেয়েছে।