ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ, দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নানা কর্মসূচি
আজ ৫ আগস্ট, ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬। দিবসটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন। পাশাপাশি দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, সংবর্ধনা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, বিশেষ মোনাজাত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করবেন। সকাল ১১টায় ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
এ ছাড়া দেশের সব জেলা পর্যায়ে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় জুলাই আন্দোলনের দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, এফএম ও কমিউনিটি রেডিওতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করা হবে।
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতেও দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাদ জোহর বা সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক, সড়কদ্বীপ ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিটও প্রকাশ করা হবে।
এদিকে সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘরগুলো আজ দিনভর দর্শনার্থীদের জন্য বিনা টিকিটে উন্মুক্ত থাকবে। শিশুদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি বিনোদনকেন্দ্রেও বিনা টিকিটে প্রবেশের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ ছাড়া সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে-কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং ভবঘুরে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আলোচনা সভা, প্রকাশনা উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।



















