১৮০ দিনের পরিকল্পনায় ২০ উদ্যোগের অগ্রগতি জানাল ইনভেস্ট বাংলাদেশ

১৮০ দিনের পরিকল্পনায় ২০ উদ্যোগের অগ্রগতি জানাল ইনভেস্ট বাংলাদেশ

প্রতীকী ছবি

বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে ঘোষিত ১৮০ দিনের পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি প্রকাশ করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। সংস্থাটি জানিয়েছে, পরিকল্পনার আওতায় অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ সহায়তা ও বিনিয়োগ উন্নয়ন এই তিন স্তম্ভে নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি হয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ পাইপলাইন তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বা বাস্তবায়ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ।

গত ১৬ মার্চ ঘোষিত ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় তিনটি স্তম্ভের অধীনে ১৬টি কর্মধারা নেওয়া হয়েছিল। এর আওতায় অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগসেবা সহজীকরণ, বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্প তৈরি এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, ‘সরকারের বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে অবদান রাখতে আমরা এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করছি। বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে আমরা তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছিলাম—উন্নত অবকাঠামো, দ্রুত ও কার্যকর সেবা এবং বিনিয়োগযোগ্য সুযোগের একটি শক্তিশালী পাইপলাইন।’

তিনি বলেন, কিছু পরিবর্তন ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে, তবে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সময় লাগবে। ১৮০ দিন পর অগ্রগতি জানানোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অর্জিত অগ্রগতি এবং সামনে থাকা কাজগুলো এই হালনাগাদে তুলে ধরা হয়েছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের তথ্যমতে, ৫৫০ মিলিয়ন ডলারের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এপিএম টার্মিনালস ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েছে। প্রকল্পটি চালু হলে ৭০০টির বেশি সরাসরি কর্মসংস্থান এবং বন্দরের সক্ষমতা ৪৪ শতাংশ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালের ১৫ বছরের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ইজারার জন্য একটি আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা চলছে।

চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনও সম্পন্ন হয়েছে। China Road and Bridge Corporation (CRBC) ২০২৮ সালের মধ্যে এর কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে। এ অঞ্চলের সম্ভাব্য বিনিয়োগ পাইপলাইন ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের সক্রিয় পাইপলাইন রয়েছে।

এ ছাড়া মোংলা বন্দরের পাশে ১১০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নে China Civil Engineering Construction Corporation (CCECC)-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ৬৫০ মিলিয়ন ডলার।

চট্টগ্রাম বন্দরে ২৪ ঘণ্টা বন্দর কার্যক্রম, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও ব্যাংকিং সেবা চালুর কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ চালুর লক্ষ্য রয়েছে। এর পরিকল্পিত কার্গো সুবিধা চালু হলে বার্ষিক পণ্য পরিবহন সক্ষমতা দুই লাখ টন থেকে বেড়ে পাঁচ লাখ টনে উন্নীত হবে।

এ ছাড়া মহেশখালীর কুতুবজোমে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি সংরক্ষণ ও পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) ২০২৮ সালে সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে। এর দৈনিক ভিত্তি সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং সর্বোচ্চ সক্ষমতা ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট হবে।

ফেনীর সোনাগাজীতে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ৪১২ একর জমিতে প্রথম পিপিপি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তুতিও চলছে।

বিডা, বেজা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষকে একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নতুন কাঠামোর মাধ্যমে বিনিয়োগ উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও পিপিপি কার্যক্রম একটি প্রতিষ্ঠানের অধীনে এনে বিনিয়োগসেবা আরও সমন্বিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ব্যবসা শুরুর প্রাথমিক প্রক্রিয়া সহজ করতে বাংলাবিজে তিন দিনের বিজনেস স্টার্টার প্যাকেজ চালু হয়েছে। ১৪ দিনের বিজনেস রেডিনেস প্যাকেজ তৈরির কাজও চলছে।

চীনের দক্ষিণাঞ্চলের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে গুয়াংজুতে ইনভেস্ট বাংলাদেশের কার্যালয় স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে। ২০২৬ সালের অক্টোবরে এর কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্য রয়েছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের তথ্যমতে, বর্তমানে মোট বিনিয়োগ পাইপলাইনের পরিমাণ ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বা বাস্তবায়ন পর্যায়ে রয়েছে।

সম্ভাব্য বিনিয়োগের উৎসের মধ্যে চীন থেকে ৬০০ মিলিয়ন ডলার, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩০০ মিলিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০০ মিলিয়ন এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার রয়েছে।

খাতভিত্তিকভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ৩০০ মিলিয়ন ডলার করে এবং স্বাস্থ্যসেবা ও বস্ত্র খাতে ২০০ মিলিয়ন ডলার করে সম্ভাব্য বিনিয়োগ বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য বিদেশি ইকুইটি আনতে ভূমিকা রাখা যোগ্য ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট ইকুইটির ১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ার নির্দেশিকা অনুমোদন করা হয়েছে। এ জন্য পৃথক একটি পোর্টালও প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে এ উদ্যোগ কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি পর্যটন স্থাপনায় বেসরকারি বিনিয়োগের প্রথম পাইলট পিপিপি প্রকল্প হিসেবে কক্সবাজারের হোটেল শৈবালকে নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৩২ একরের এ প্রকল্পের ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজার নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।

দেশের প্রথম সমন্বিত বিনিয়োগ মানচিত্রায়ন কার্যক্রমও পরিচালনা করছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও সানেমের সঙ্গে অংশীদারত্বে পরিচালিত এ কার্যক্রমে দেশের আটটি বিভাগ ও প্রধান খাতকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এতে অঞ্চলভিত্তিক বিনিয়োগের সুযোগ, প্রতিবন্ধকতা এবং প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো চিহ্নিত করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

ইনভেস্ট বাংলাদেশ জানিয়েছে, বিনিয়োগ পরিবেশ ও সামগ্রিক বিনিয়োগ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে এমন উদ্যোগগুলোর অগ্রগতি নিয়মিতভাবে জনসাধারণকে জানানো হবে। নতুন কর্তৃপক্ষের অধীনে পৃথক উইংগুলো কাজ এগিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক কর্মসম্পাদন সূচকের ভিত্তিতেও তাদের কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হবে।

চবিতে চাঁদপুর শিক্ষার্থীদের ৫০০ বৃক্ষ বিতরণ

১৮০ দিনের পরিকল্পনায় ২০ উদ্যোগের অগ্রগতি জানাল ইনভেস্ট বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) চাঁদপুর জেলা স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশনের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী প্রয়াত অনিক চন্দ্র দাসকে স্মরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম রনি এবং চবিসাস সভাপতি রেফায়েত উল্যাহ রুপক।

সংগঠনের ১৬তম কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি মো. বোরহান উদ্দিনের সভাপতিত্বে কর্মসূচি শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, “পরিবেশ সংরক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের পক্ষাঘাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে চাঁদপুর জেলা স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”

উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় এই উদ্যোগ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।” তিনি সংগঠনটিকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এ কার্যক্রমের পরিসর আরও বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, “এটি একটি পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি।” এ ধরনের উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি সংগঠনটির প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানান।

চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম রনি বলেন, “চাঁদপুর জেলা স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চমৎকার আয়োজনকে ধন্যবাদ জানাই এবং আজকের এই আয়োজনের সফলতা কামনা করি।”

চবিসাস সভাপতি রেফায়েত উল্যাহ রুপক বলেন, “দূষণমুক্ত, সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। পরিবেশ রক্ষায় চাঁদপুর জেলা স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশনের এমন উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।”

কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় ২৫ প্রজাতির ৫০০টি বৃক্ষ বিতরণ করা হয়।

বিতরণ করা গাছের মধ্যে ফুল ও শোভাবর্ধক প্রজাতির মধ্যে ছিল গন্ধরাজ, রঙ্গন, হাসনাহেনা, সন্ধ্যামালতী, মিনি স্টার, দোপাটি, কুঞ্জলতা, এসি পাম, পাতাবাহার, কামিনী ও অশোক। ঔষধি গাছের মধ্যে ছিল নিম, বাসক, তুলসী, পাথরকুচি, কালোমেঘ, অ্যালোভেরা, হরতকি ও বহেরা। এ ছাড়া ফলদ ও অন্যান্য গাছের মধ্যে ছিল লেবু, পেয়ারা, বড়ই, কাটবাদাম ও উদাল।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকেন্দ্রিক এ কর্মসূচিতে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয় সংগঠনের সদস্য অনিক চন্দ্র দাসকে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

অনিককে স্মরণ করে সংগঠনের সভাপতি মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, “অনিক আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবে গাছ হয়ে। তার এই অকালপ্রয়াণ তার পরিবার এবং সংগঠনের অপূরণীয় ক্ষতি।”

ফরিদগঞ্জে কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

১৮০ দিনের পরিকল্পনায় ২০ উদ্যোগের অগ্রগতি জানাল ইনভেস্ট বাংলাদেশ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পুলিশি অভিযানে ফরিদগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হকের ছোট ভাই মো. মহিউদ্দিন রিমন (৩০) গ্রেপ্তার হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার রূপসা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত মহিউদ্দিন রিমন ফরিদগঞ্জ সদর এলাকার মাওলানা শহীদুল্লাহ পাটওয়ারীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহর নির্দেশনায় পুলিশের একটি চৌকস টিম রূপসা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মহিউদ্দিন রিমনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদগঞ্জ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়েরকৃত মামলায় তাঁকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বেআইনি তৎপরতা ও নাশকতা প্রতিরোধে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে রূপসা বাজার থেকে ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন রিমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শাহরাস্তি শাহশরীফ ডিগ্রি কলেজে একাদশের উদ্বোধনী ক্লাস

১৮০ দিনের পরিকল্পনায় ২০ উদ্যোগের অগ্রগতি জানাল ইনভেস্ট বাংলাদেশ

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার শাহশরীফ ডিগ্রি কলেজে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির (সাধারণ) ও বিএমটি শাখার উদ্বোধনী ক্লাস ও আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের নিয়মিত পাঠদান ও শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাহশরীফ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মোজহের হোসেন। এ সময় কলেজের শিক্ষকবৃন্দ, নবাগত শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা পর্বে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা মেনে চলা, মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করা এবং নিজেদের দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির (সাধারণ) ও বিএমটি শাখার আনুষ্ঠানিক পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়।