অসুস্থ হয়ে লন্ডনের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, দোয়া কামনা

অসুস্থ হয়ে লন্ডনের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, দোয়া কামনা

শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি। (ফাইল ছবি)

চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক অসুস্থ হয়ে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য বর্তমানে তিনি সেখানে অবস্থান করছেন।

চাঁদপুর জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হযরত আলী ঢালী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তাঁর অসুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বার্তায় প্রবীণ এই রাজনৈতিক নেতার দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় চাঁদপুরবাসী, বিএনপির নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

এদিকে তাঁর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়লে চাঁদপুর ও হাইমচরের নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তাঁর সুস্থতা কামনায় বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও দলীয় কার্যালয়ে দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করেছেন চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী। তিনি তাঁর সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

৩ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের কাছে ফিরল হারিয়ে যাওয়া শিশু

অসুস্থ হয়ে লন্ডনের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, দোয়া কামনা

চাঁদপুর পুলিশ লাইন্সের ফটকসংলগ্ন এলাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া ৮–৯ বছর বয়সী শিশু আরাফাতকে মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে চাঁদপুর জেলা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) শিশুটিকে ওই এলাকায় পাওয়ার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিবারের সন্ধানে তৎপর হয় পুলিশ। পরে প্রায় তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় তার পরিবারের সন্ধান পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় শিশুটিকে তার মায়ের কাছে নিরাপদে হস্তান্তর করা হয়।

শিশুটিকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে সহযোগিতা করায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে চাঁদপুর জেলা পুলিশ।

পাশাপাশি, শিশুটির পরিবারের সন্ধানে পুলিশের আগের পোস্টটি শেয়ার করে সহযোগিতা করায় সবার প্রতি ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

মতলব ব্রিজের পাশে পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল ১৮ বছর বয়সী যুবকের

অসুস্থ হয়ে লন্ডনের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, দোয়া কামনা

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় পিকআপের ধাক্কায় অহিদুল ইসলাম (১৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মতলব সেতুর পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত অহিদুল ইসলাম মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার ঘনিয়ারপাড় গ্রামের মাহবুবুর রহমান মোল্লার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে করে ডিম নিয়ে মতলব সেতু পার হয়ে বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন অহিদুল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি পিকআপ ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়।

এতে ভ্যানের চালকের পাশে বসে থাকা অহিদুল ছিটকে সড়কে পড়ে গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর পিকআপটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পরে স্থানীয় পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মতলব উত্তর উপজেলার শ্রীরায়েরচর বাংলা বাজার এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে লোকজন কম থাকায় পিকআপচালক দ্রুত পালিয়ে যান।

মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান মানিক জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। পিকআপটি শনাক্ত ও আটকের বিষয়ে কার্যক্রম চলছে।

ফরিদগঞ্জে অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগ মাদ্রাসা প্রভাষকের বিরুদ্ধে

অসুস্থ হয়ে লন্ডনের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, দোয়া কামনা

যোগদান থেকে শুরু করে আট মাসের চাকরী জীবনে কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২ দিন। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই একনাগাড়ে ৬ মাস অনুপস্থিতির পর হঠাৎ করেই হাজির হয়েছেন প্রতিষ্ঠানে। এতে সংক্ষুব্ধ হয়ে ক্লাস বর্জন করেছেন অন্যান্য শিক্ষকরা। ঘটনাটি ঘটেছে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের কড়ৈতলী কে.এ. আলিম মাদ্রাসায়। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মো. আরিফুজ্জামান। ইনডেক্স নং-M0080421। তিনি মাদ্রাসাটির আইসিটি বিষয়ের প্রভাষক।

প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এবং মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, আরিফুজ্জামান ৭ম গণবিজ্ঞপ্তি ২০২৬ এ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখে কড়ৈতলী কে.এ. আলিম মাদ্রাসায় আইসিটি প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর পবিত্র মাহে রমজান এবং ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে প্রায় ৪০ দিনের ছুটিতে যায় প্রতিষ্ঠান। ছুটি শেষে ৪ এবং ৫ এপ্রিল মাদ্রাসায় হাজির ছিলেন তিনি। তারপর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই তিনি প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন। ৭ কর্ম দিবস সময় বেঁধে দিয়ে গত ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে অনুমতি ছাড়া প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিতির কারণ দর্শানোর নোটিশ করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম। শারিরীক অসুস্থতার কথা জানিয়ে ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে কারণ দর্শানোর জবাব দিয়েছেন তিনি। ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করলে সহকর্মীদের অসন্তোষের মুখে পড়েন আরিফ। এ সময় সংক্ষুব্ধ শিক্ষকরা ক্লাস বর্জন করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের হাজিরা বাতিল করেন অধ্যক্ষ। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং গভর্নিং বডির সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষকেরা পুনরায় শ্রেণিকক্ষে ফিরে যান।

অভিযুক্ত প্রভাষক মো. আরিফুজ্জামান বলেন, যোগদানের পর আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং ডাক্তার আমাকে ৬ মাসের পরিপূর্ণ বিশ্রামের জন্য পরামর্শ দেন। সে আলোকে গত ৬মাস বিশ্রামে ছিলাম। আমি সুস্থ্য হয়ে মাদ্রাসায় ফিরে এসেছি। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের যে কোন সিদ্ধান্ত আমি মেনে নেবো।

​এ বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আরিফুজ্জামান যোগদানের পর থেকে মাত্র দুইদিন ক্লাসে উপস্থিত হন এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। অদ্য পহেলা অক্টোবর তিনি মাদ্রাসায় যোগদান করেন। তাতে অন্যান্য শিক্ষকরা ক্লাস বর্জন করেন এবং আমি তাদের আস্বস্ত করেছি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং সভাপতি মহোদয়ের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

​এ বিষয়ে মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি আগে থেকে অবগত ছিলেন না। খোঁজ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।