ডিআরইউর সদস্য হলেন চাঁদপুরের কৃতী সন্তান মহিউদ্দিন রাব্বানী

ডিআরইউর সদস্য হলেন চাঁদপুরের কৃতী সন্তান মহিউদ্দিন রাব্বানী

মহিউদ্দিন রাব্বানী। ছবি-সংগৃহীত

পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) অস্থায়ী সদস্যপদ পেয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম ঢাকা মেইলের নিজস্ব প্রতিবেদক মহিউদ্দিন রাব্বানী। তিনি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার কৃতী সন্তান।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ডিআরইউ কার্যালয়ে আয়োজিত এক বরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন সদস্যদের স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও ডিআরইউর সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ এ এম ছালেহ শিবলী।

ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ কার্যনির্বাহী কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিআরইউ সূত্রে জানা যায়, সংগঠনটির গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় গঠনতন্ত্রের ৩(২)(ক) ধারা অনুযায়ী ৪০ জন সাংবাদিককে অস্থায়ী সদস্যপদ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রায় ৪০০ আবেদনের বিপরীতে নানা যাচাই-বাছাই শেষে এই ৪০ জনকে মনোনীত করেছে বাছাই কমিটি। পরে কার্যনির্বাহী কমিটি তা অনুমোদন করে।

মহিউদ্দিন রাব্বানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ছোটবেলা থেকেই পত্রপত্রিকা পড়া ও লেখালেখির প্রতি তার আগ্রহ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত হন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেইলের নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

এর আগে তিনি দৈনিক সংবাদ, দৈনিক আমার সংবাদ, দৈনিক সবুজ বাংলা ও দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। তার লেখালেখির অন্যতম বিষয় অর্থনীতি, বাণিজ্য ও জ্বালানি খাত। এসব বিষয়ে নিয়মিত সংবাদ ও প্রতিবেদন তৈরির মাধ্যমে তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

ডিআরইউর অস্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ায় মহিউদ্দিন রাব্বানী সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির নেতাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

ডিআরইউ দেশের পেশাদার সাংবাদিকদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন। সংগঠনটির সদস্যপদ সাংবাদিকদের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ফরিদগঞ্জে আগুনে পুড়ল চার বসতঘর, ক্ষতি ৪০ লাখ টাকা

ডিআরইউর সদস্য হলেন চাঁদপুরের কৃতী সন্তান মহিউদ্দিন রাব্বানী

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে একই বাড়ির চারটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ঘরের আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উভারামপুর গ্রামের দক্ষিণ পাটওয়ারী বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। জুমার নামাজের সময় আগুন লাগায় এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ঘর থেকে কোনো মালামাল বের করতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুনে অটোচালক চান মিয়া, সূর্য মিয়া, দিনমজুর মো. স্বপন ও হাবিবের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। তবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট অথবা রান্নার চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত অটোচালক চান মিয়া ও দিনমজুর মো. স্বপন জানান, তাঁরা জুমার নামাজ আদায় করতে মসজিদে গিয়েছিলেন। নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরে দেখেন, তাঁদের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘরের আসবাবপত্র, জমানো টাকা ও প্রয়োজনীয় মালামাল কিছুই রক্ষা করতে পারেননি তাঁরা।

তাঁরা বলেন, পরিধানের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। এক মুহূর্তের আগুনে তাঁদের সারা জীবনের সঞ্চয় ও স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, দুপুরের আগুনে চারটি পরিবারের সবকিছু পুড়ে গেছে। পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাঁদের পুনর্বাসনে সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, গ্রামটি প্রত্যন্ত এলাকায় হওয়ায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পৌঁছানো কঠিন। এ ধরনের দুর্গম গ্রামীণ এলাকায় বিকল্প অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, একই বাড়ির চারটি অসচ্ছল পরিবারের ঘরবাড়ি আগুনে পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্দশার মধ্যে রয়েছে।

আলমগীর হোসেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সমাজের মানবিক ব্যক্তিদের দ্রুত এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

চাঁদপুরে দুর্গোৎসব উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সেবা পেলেন ২০০ জন

ডিআরইউর সদস্য হলেন চাঁদপুরের কৃতী সন্তান মহিউদ্দিন রাব্বানী

চাঁদপুর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের মঠখোলায় শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পেয়েছেন দুই শতাধিক নারী-পুরুষ। মঠখোলা সার্বজনীন দুর্গোৎসব উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এবং ফাস্ট এইড ল্যাব অ্যান্ড ডক্টরস পয়েন্টের সৌজন্যে এ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। এ সময় ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ পরিমাপসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও চিকিৎসক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সৌরভ গাইন।

মঠখোলা সার্বজনীন দুর্গোৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি ব্রজ গোপাল আচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডা. সৌরভ গাইন। তিনি বলেন, মঠখোলা সার্বজনীন দুর্গোৎসব উদযাপন পরিষদের এ উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। মানবতার কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংগঠনটি ভবিষ্যতেও বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মঠখোলা সার্বজনীন দুর্গোৎসব উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা অনিল আচার্য, ননী গোপাল আচার্য ও প্রাণ গোপাল আচার্য; সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় পাল; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ফাস্ট এইড ল্যাব অ্যান্ড ডক্টরস পয়েন্টের পরিচালক শ্যামল আচার্য; কমল আচার্য, সাগর আচার্য, কোষাধ্যক্ষ সুব্রত আচার্য, সহসাংগঠনিক সম্পাদক তপন আচার্য, পিয়াস আচার্য, সদস্য রতন রায়, সৈকত আচার্য, রাহুল আচার্য, দ্বীপ আচার্য, তীর্থ আচার্য ও শিশির আচার্যসহ অন্যরা।

বিনা মূল্যে ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ পরিমাপসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

হাজীগঞ্জে শিক্ষকের বসতঘরে চুরি, ২০ হাজার টাকার মালামাল খোয়া যাওয়ার অভিযোগ

ডিআরইউর সদস্য হলেন চাঁদপুরের কৃতী সন্তান মহিউদ্দিন রাব্বানী

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এক শিক্ষকের বসতঘরে চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনটি সিলিং ফ্যানসহ প্রায় ২০ হাজার টাকা মূল্যের মালামাল চুরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম। এ ঘটনায় তিনি হাজীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৩ নম্বর কালচোঁ ইউনিয়নের খিলপাড়া এলাকার মিজি বাড়িতে শিক্ষকের নিজস্ব বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে। গত ১৩ অক্টোবর রাত ১২টা থেকে ১৪ অক্টোবর সকাল ৬টার মধ্যে কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে আনুমানিক ১২ হাজার টাকা মূল্যের তিনটি সিলিং ফ্যান ও সেগুলোর কভারসহ অন্যান্য জিনিসপত্র। সব মিলিয়ে চুরি হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ২০ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন ওই শিক্ষক।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক হাজীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।