শাহরাস্তিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

শাহরাস্তিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) উপজেলার কোনো এক মফস্বল এলাকায় মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে। তবে মিছিলের সুনির্দিষ্ট স্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মিছিল শেষে ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এর ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা ও হিসাব-নিকাশ।

জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর শাহরাস্তি উপজেলা ছাত্রলীগের ঘোষিত কমিটিতে সহ-সভাপতি পদ পাওয়া সাজ্জাদ হোসেন সুজনের নেতৃত্বে মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে মিছিলের নেপথ্যে কারা রয়েছেন, তা নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। উপজেলার জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কয়েকজনের অভিযোগ, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কতিপয় ব্যবসায়ী, প্রবাসী ও ঠিকাদার নেপথ্যে থেকে আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে ছাত্রলীগকে সক্রিয় করার চেষ্টা করছেন। তাঁদের দাবি, এর মাধ্যমে উপজেলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিলের বিষয়টি তাঁদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রকাশ্যে এমন কর্মসূচি ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

হাইমচরে হিফজ প্রতিযোগিতার চার বিভাগেই প্রথম হযরত আলী মাদ্রাসা

শাহরাস্তিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

চাঁদপুরের হাইমচরে হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ৩১তম হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় চারটি বিভাগেই প্রথম স্থান অর্জন করেছে হযরত আলী (রা.) হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। উপজেলা পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতায় পাঁচ, দশ, বিশ ও ত্রিশ পারা বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটির চার শিক্ষার্থী।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের হাইমচর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

প্রতিযোগিতায় পাঁচ পারা বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন হযরত আলী (রা.) হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মুস্তাকিম। দশ পারা বিভাগে প্রথম হন শাহাবউদ্দিন। বিশ পারা বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন হাফেজ আহমেদ এবং ত্রিশ পারা বিভাগে প্রথম হন মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। চারজনই একই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা রাশেদ বিন মুহসিন। প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁদপুরের মুমিনবাড়ি মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ মাওলানা ইমদাদুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জের দারুল হাবীব মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ মাওলানা এনায়েতুল্লাহ।

প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় থেকে ষষ্ঠ স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পুরস্কার দেওয়া হয়। এ ছাড়া সপ্তম থেকে পঞ্চদশ স্থান অর্জনকারী প্রতিযোগীরা জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মাদ্রাসার মুহতামিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের পবিত্র কোরআন হিফজ, বিশুদ্ধ তিলাওয়াত ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন।

মা ইলিশ রক্ষায় মেঘনা নদীতে অভিযান চালালেন এমপি মানিক

শাহরাস্তিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

মা ইলিশ রক্ষায় চলমান নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়েছেন চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। এ সময় জেলেদের সচেতন করার পাশাপাশি মাছ ধরার প্রস্তুতিকালে নৌকা ও জাল জব্দ করে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মেঘনা নদীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে কি না এবং প্রশাসন কীভাবে অভিযান পরিচালনা করছে, তা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেছেন তিনি। অল্প কিছু জেলে নদীতে মাছ ধরতে নামার চেষ্টা করলেও প্রশাসন তাঁদের প্রতিহত করছে বলে জানান তিনি।

সংসদ সদস্য বলেন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে মা ইলিশ রক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে প্রশাসনের পাশাপাশি জেলেদেরও সহযোগিতা করতে হবে।

জেলেদের সরকারি খাদ্যসহায়তা প্রসঙ্গে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, জেলেরা যাতে তাঁদের প্রাপ্য খাদ্যসহায়তার চাল পুরোপুরি পান, সে বিষয়ে তিনি নজর রাখছেন। যাঁরা এখনো চাল পাননি, তাঁদের বিষয়টি সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে। জেলেরা যাতে যথাযথভাবে সরকারি সহায়তা পান, সে জন্য তাঁদের খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞার সময়ে জীবিকা নিয়ে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য জেলেদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ সময় জেলেদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁদের যেকোনো প্রয়োজনে তাঁর দরজা সব সময় খোলা থাকবে।

ডিআরইউর সদস্য হলেন চাঁদপুরের কৃতী সন্তান মহিউদ্দিন রাব্বানী

শাহরাস্তিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

মহিউদ্দিন রাব্বানী। ছবি-সংগৃহীত

পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) অস্থায়ী সদস্যপদ পেয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম ঢাকা মেইলের নিজস্ব প্রতিবেদক মহিউদ্দিন রাব্বানী। তিনি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার কৃতী সন্তান।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ডিআরইউ কার্যালয়ে আয়োজিত এক বরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন সদস্যদের স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও ডিআরইউর সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ এ এম ছালেহ শিবলী।

ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ কার্যনির্বাহী কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিআরইউ সূত্রে জানা যায়, সংগঠনটির গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় গঠনতন্ত্রের ৩(২)(ক) ধারা অনুযায়ী ৪০ জন সাংবাদিককে অস্থায়ী সদস্যপদ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রায় ৪০০ আবেদনের বিপরীতে নানা যাচাই-বাছাই শেষে এই ৪০ জনকে মনোনীত করেছে বাছাই কমিটি। পরে কার্যনির্বাহী কমিটি তা অনুমোদন করে।

মহিউদ্দিন রাব্বানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ছোটবেলা থেকেই পত্রপত্রিকা পড়া ও লেখালেখির প্রতি তার আগ্রহ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত হন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেইলের নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

এর আগে তিনি দৈনিক সংবাদ, দৈনিক আমার সংবাদ, দৈনিক সবুজ বাংলা ও দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। তার লেখালেখির অন্যতম বিষয় অর্থনীতি, বাণিজ্য ও জ্বালানি খাত। এসব বিষয়ে নিয়মিত সংবাদ ও প্রতিবেদন তৈরির মাধ্যমে তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

ডিআরইউর অস্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ায় মহিউদ্দিন রাব্বানী সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির নেতাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

ডিআরইউ দেশের পেশাদার সাংবাদিকদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন। সংগঠনটির সদস্যপদ সাংবাদিকদের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।